বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ২০ বছর পিছিয়ে গেছে : ইকবাল মাহমুদ
Published : Thursday, 15 February, 2018 at 12:00 AM, Update: 14.02.2018 10:31:27 PM
দিনকাল রিপোর্ট : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, বর্তমান শিাব্যবস্থা আগের তুলনায় ২০ বছর পিছিয়ে গেছে। আমাদের ভাবতে হবেÑ আমাদের বাচ্চারা কোথায় যাচ্ছে, কি শিখছে? এর দায় সকলকে নিতে হবে। প্রশ্ন ফাঁস প্রসঙ্গে ইকবাল মাহমুদ বলেন, প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে শিা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, অভিভাবক শিার্থী, শিক, সবাইকে দোষের দায়ভার নিতে হবে। যারা এভাবে সার্টিফিকেট নিচ্ছেন তাদের দতা, সমতা ও মননশীলতা ধ্বংস হয়ে যাবে। : গতকাল বুধবার দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক সম্মেলন কে স্থানীয় কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন দুদক চেয়ারম্যান। চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মন্ডলের (যুগ্ম সচিব) সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা আক্তার, দুদকের মহাপরিচালক মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিরাও অংশ নেন। দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দেশে অনেক স্কুল হয়েছে, স্কুলে যাওয়ার পাকা রাস্তা হয়েছে, শিা উপকরণ আছে, শিক আছে। কিন্তু  শ্রেণিকে কী শিা আছে?  শ্রেণিকে শিা থাকলে আমাদের সন্তানরা কেন কোচিং সেন্টারে যাচ্ছে? তিনি এেেত্র প্রশাসন, শিক, শিা কর্মকর্তা এবং জনপ্রতিনিধিদের সম্মিলিতভাবে   : শ্রেণিকে শিা নিশ্চিতের আহ্বান জানান। : দুদক চেয়ারম্যান বলেন, মানুষ ঘুরে দাঁড়িয়েছে, ঘুষ বন্ধ হবেই। দেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা রয়েছে। আর এই এভাবে দুর্নীতি চলতে থাকলে অনেক অর্জনই বিসর্জন হয়ে যাবে। আমরা এ অবস্থার উত্তরণ ঘটাতে চাই। তিনি বলেন, গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের তথ্যের ভিত্তিতে মাঠ পর্যায়ে ঘুষখোর দুর্নীতিবাজদের আইনের আওতায় আনতে দুদকের অভিযান শুরু হবে। কোনো অবস্থাতেই নিরীহ মানুষকে আর হয়রানি করার সুযোগও দেয়া হবে না। গতকাল বুধবার দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কে ‘দুর্নীতিমুক্ত সরকারি সেবা, দুর্নীতির অভিযোগের প্রকৃতি’ শিরোনামে মতবিনিময় সভায় দুদক চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। : দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দেখা যায় অনেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় আছে, উন্নয়ন আছে, নৈতিকতা আছে, সততা আছে, মূল্যবোধ আছে, সবই আছে। কিন্তু দুর্নীতি, তদবির, অবৈধ প্রভাব কী নেই? সবই আছে। দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ২০১৭ সালে ফাঁদ মামলায় প্রায় ৩০ জনকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২০১৭ সালেই কমিশনের গোয়েন্দা ইউনিট গঠন করা হয়েছে। চলতি বছর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই মাঠ পর্যায়ে ঘুষখোর দুর্নীতিবাজদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে। তবে কোনো অবস্থাতেই নিরীহ জনগণ ও নিরীহ কর্মকর্তাদের আর হয়রানির সুযোগও দেয়া হবে না। এমনকি দুদকে কোনো প্রভাব সৃষ্টি করার সুযোগ নেই। দুদক তদবির ও প্রভাবমুক্ত প্রতিষ্ঠান। : দুর্নীতি, তদবির, মতাবানদের বিশেষ প্রভাব নির্মূল করা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তদবিরবাজরাই সবচেয়ে বড় দুর্নীতিবাজ, তারা পদ্ধতি ভাঙতে চায়। সংবিধান লঙ্ঘন করে অনুপার্জিত আয় করতে চায়। কিন্তু মানুষ আর তদবিরবাজদের ছাড় দিতে চায় না। তাদের শাস্তি পেতেই হবে। জনগণ পদ্ধতি মেনে সারিবদ্ধভাবে সরকারি পরিষেবা নিতে চায়। কারো দয়া নয়, সেবা প্রাপ্তি তাদের অধিকার। : : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

সব দলের অংশগ্রহণে আগামী নির্বাচন দেখতে চায় ইইউ। আগামী নির্বাচন সব দলের অংশগ্রহণে হবে বলে মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
2879 জন