প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে অসহায়ত্ব প্রকাশ করলেন শিক্ষাসচিব
Published : Friday, 16 February, 2018 at 12:00 AM, Update: 15.02.2018 10:52:36 PM
দিনকাল রিপোর্ট : বর্তমান প্রক্রিয়ায় কোনোভাবেই প্রশ্ন ফাঁস ঠেকানো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন শিাসচিব সোহরাব হোসেন। তিনি বলেছেন, যে প্রক্রিয়ায় পরীা নেয়া হচ্ছে তাতে প্রতিটি প্রশ্ন ফাঁস হওয়া স্বাভাবিক। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের সম্মেলন কে প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে আদালতের দেয়া নির্দেশের বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, এইচএসসির প্রশ্ন  ফাঁস ঠেকানো যাবে কিনা বলতে পারে না। প্রশ্ন ফাঁস ঠেকানোর উপায় নিয়ে তারা কাজ করছেন। অতিসত্বর এই প্রক্রিয়া তারা বের করতে পারবেন বলে আশা করছেন। এ ব্যাপারে তিনি ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছেন জানিয়ে সোহরাব হোসেন বলেন, ২০১৪ সালে একটি কমিটি হয়েছিল প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকানোর কৌশল বের করার জন্য। সেখানে আমি কমিটির প্রধান ছিলাম। খুঁটিনাটি সব বিষয় দেখে আমরা নিজেরাই বলছিলাম বর্তমানে যে প্রক্রিয়ায় পরীা নেয়া হচ্ছে এখানে প্রতিটি প্রশ্ন ফাঁস হওয়া স্বাভাবিক। : কোর্টের রায়ের প্রসঙ্গ টেনে সচিব বলেন, অবশ্যই আদালত যে আদেশ দেবে সেটি আমরা পরিপূর্ণভাবে পালন করব। কীভাবে প্রতিপালন করব সেটা মাননীয় মন্ত্রীসহ বসে নির্ধারণ করব। প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে শিা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের শিাসচিব বলেন, ‘আপনারা বলছেন আমাদের নিষ্ক্রিয়তা আছে, এটা থাকলে আমরা তা আদালতের কাছে বলব। সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমাদের একটি প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করতে হবে যে প্রক্রিয়ায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার অবকাশ থাকবে না।’ আর তাতে সবাইকে এগিয়ে আসার কথা বলেন তিনি। পাবলিক পরীা যথাযথ পরিচালনা করা এককভাবে শিা মন্ত্রণালয়ের পে সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করেন শিাসচিব। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ আরও শাখা যুক্ত। : তিনি বলেন, সারা দেশে এ পরীা পরিচালনার সঙ্গে ২৭ থেকে ২৮ হাজার মানুষ সংশ্লিষ্ট। এতগুলো মানুষের মধ্যে একজন লোকও যদি অসৎ হন তাহলে বাকি সব সৎ মানুষের অবদান ভেস্তে যায়। তবে প্রশ্ন ফাঁস দ্রুত ছড়াতে ইন্টারনেটকে দায়ী করেন শিাসচিব। তিনি বলেন, ‘যদি নেট সিস্টেম না থাকত তাহলে যারা প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের পে কাজটা এত দ্রুত করা সহজ হতো না। একটি জায়গায় প্রশ্ন ফাঁস হলে তা মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে যাচ্ছে। নেট না থাকলে এত দ্রুত ছড়িয়ে যেত না। হয়তো কেউ জানতই না। নৈতিকতার অবনতিও প্রশ্ন ফাঁস ছড়ানোর পেছনে কাজ করছে বলে মনে করেন সোহরাব হোসেন। আগে মানুষের  নৈতিকতা ছিল উন্নত। কোনো স্থানে প্রশ্ন ফাঁস হলেও তা কাউকে বলত না কেউ লজ্জায়। এখন নিজে থেকে অন্যকে প্রশ্ন অনলাইনে পাঠিয়ে দেয়। অভিভাবক থেকে শুরু করে সবার মধ্যে এ প্রবণতা চলছে বলে মনে করেন সচিব। তাদের ধরা হচ্ছে না কেন- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শিাসচিব বলেন, আসলে হাতেনাতে ধরা না গেলে কাউকে দোষী বলা যায় না। গোয়েন্দারা চেষ্টা করছে। অচিরেই এর সমাধান হবে। : :





প্রথম পাতা'র আরও খবর
অনলাইন জরিপ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। আপনি কি একমত?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
দিনকাল ই-পেপার
পুরনো সংখ্যা
আজকের মোট পাঠক
3881 জন